বাংলাদেশেও ‘কালো ছত্রাক’ শনাক্ত
এবার বাংলাদেশেও শনাক্ত হয়েছে ভারতে আতঙ্ক ছড়ানো ‘কালো ছত্রাক’। কিছুদিন আগে কোভিড-১৯ থেকে সেরে উঠা এক ব্যক্তির শরীরে এই মিউকরমাইকোসিস সনাক্ত করেছে বারডেম হাসপাতাল।
ল্যাব পরীক্ষায় সাতক্ষীরা থেকে আসা ওই ব্যক্তিকে বারডেমে রেখেই চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন ঢাকার বারডেম হাসপাতালের মহাপরিচালক অধ্যাপক এম কে আই কাইয়ুম চৌধুরী।
আক্রান্ত ব্যক্তিটি বেশ আগে খুলনায় অবস্থানকালে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছিলেন বলে জানানো হয়েছে।
প্রাপ্ত তথ্য বলছে, বিরল এ সংক্রমণে মৃত্যু হার ৫০ শতাংশের মতো। অনেক সময় আক্রান্তের প্রাণরক্ষায় অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে চোখ বা চোয়ালের হাড় অপসারণ করতে হয়।
সাম্প্রতিক মাসগুলোতে করোনাভাইরাসের দ্বিতীয় ঢেউয়ে বিপর্যস্ত ভারতে সুস্থ হয়ে ওঠা কোভিড-১৯ রোগীদের মধ্যে কয়েক হাজার ব্যক্তির দেহে এ ‘কালো ছত্রাকের’ সংক্রমণ মিলেছে বলে গণমাধ্যমে এসেছে।
বিরল এ সংক্রমণে মৃত্যু হার ৫০ শতাংশের মতো। অনেক সময় আক্রান্তের প্রাণরক্ষায় অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে চোখ বা চোয়ালের হাড় অপসারণ করতে হয়।
মিউকর মোল্ডের সংস্পর্শে এলে মিউকরমাইকোসিস বা কালো ছত্রাক নামের এই বিরল সংক্রমণ ঘটে। মাটি, গাছপালা, বিষ্ঠা, এবং পচা ফল ও সবজি থেকে কেউ মিউকর মোল্ডের সংস্পর্শে আসতে পারেন। মাটি ও বাতাস এবং এমনকি সুস্থ মানুষের নাকে বা কফেও এটা পাওয়া যায়। এ ছত্রাক সাইনাস, মস্তিষ্ক ও ফুসফুসে আক্রমণ করে।
যাদের মধ্যে এর সংক্রমণ ঘটেছে, তাদের মাথা ব্যথা, নাক বন্ধ হয়ে যাওয়া, নাক দিয়ে রক্তা পড়া, মুখের একপাশ ফুলে যওয়া, চোখ ফুলে যাওয়া বা চোখে ব্যথা করা, চোখের পাপড়ি ঝরে পড়া, ঝাপসা দেখা এবং এক সময় দৃষ্টি হারানোর মত উপসর্গ দেখা দিতে পারে। কারও কারও ক্ষেত্রে নাকের পাশপাশে চামড়ায় কালচে দাগ দেখা দিতে পারে।